বিপিএলে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার সন্দেহে ৯ ক্রিকেটারকে এবারের আসরের নিলাম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আজ ঢাকার একটি হোটেলে হবে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম। এর আগে কাল তাদেরকে নিলামের জন্য চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেয় বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।
চূড়ান্ত নিলাম তালিকায় না থাকা অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারের মধ্যে প্রাথমিক তালিকায় ছিলেন ৮ জন। তারা হলেন- দুর্দান্ত রাজশাহীর এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, সানজামুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান, ঢাকা ক্যাপিটালসের মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও আলাউদ্দিন বাবু এবং সিলেট স্ট্রাইকার্সের আরিফুল হক ও নিহাদুজ্জামান।
তবে অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দিচ্ছেন। তাদের দাবি, অভিযোগ ‘প্রমাণের আগে’ নিলামের চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাদেরকে বাদ দিয়ে ‘মানহানি’ করা হয়েছে।
এনামুল হক বিজয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “একটা প্রতিবেদন দিল আর বাদ দিয়ে দিল! দোষী না, কিন্তু বিপিএল খেলতে দেবে না—এটা কী হলো? কথা শুনে হাস্যকর মনে হচ্ছে।”
জাতীয় দলের সাবেক পেসার শফিউল ইসলাম বলেন, “আমাদের তো পরিবার আছে, জীবন আছে। ক্রিকেট জীবন না, জীবনের অংশ। মানুষ আমাকে চিনে বা ভালোবাসে ক্রিকেট থেকেই। তাই অভিযোগ আসলে নিজের কাছেই খারাপ লাগে। আমি যদি অভিযুক্ত হই, প্রমাণ দেখাক। মানুষের সামনে প্রমাণ নিয়ে আসুক।”
স্বজন হারানোর ব্যথা নিয়ে ফ্ল্যামেঙ্গাকে কোপা জেতালেন দানিলো
সানজামুল ইসলাম বিসিবির দ্বৈতনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন এভাবে, “বিসিবির কথা হচ্ছে দোষীও না, আবার দোষী। কী প্রমাণ করল সেটা বুঝলাম না। বলছে সব জায়গায় খেলতে পারব আবার বিপিএল খেলতে পারব না। যতটুকু জানি, যারা সাজাপ্রাপ্ত, তারা সব সময় নিষিদ্ধ থাকে।”
নিহাদুজ্জামানের ভাষায়, ‘খুবই অপ্রত্যাশিত এটা। কখনো কল্পনা করিনি।’
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র আছেন জাতীয় দলের সাবেক পেসার আল আমিন। তিনি সেখান থেকে বলেন, “আমি কোনো অন্যায় কাজের সঙ্গে জড়িত নই। পরিবার নিয়ে এখন যুক্তরাষ্ট্রে আছি। ব্যক্তিগত কারণে আগেই বিসিবি থেকে ছুটি নেওয়ায় আমার নাম নিলামের তালিকায় রাখা হয়নি।”
মিজানুর রহমানের কথায় যেন হতবিহ্বল ভাব, “কোনোভাবে মেনে নিতে পারছি না। কী পদক্ষেপ নেব বা কী করব, সেটাও বুঝতে পারছি না।”

