hamza chowdhury and shamit shomeবাংলাদেশ ফুটবলের তারকা হামজা চৌধুরী ও শামিত সোম।

উয়েফার পথ ধরে হাঁটতে চলেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভূক্ত দেশগুলোর জাতীয় দল নিয়ে শুরু করতে যাচ্ছে নেশনস লিগ। নতুন এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াতে পারে আগামী বছর থেকেই।

এএফসির জেনারেল সেক্রেটারি দাতুক সেরি উইন্ডসর জন এএফসি নেশনস লিগ চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এএফসি নেশনস লিগ চালু হলে বাড়তি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল।

উয়েফা ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো নেশনস লিগ চালু করে। এই টুর্নামেন্টের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল, ক্লাব ফুটবলে যখন বিরতি চলে, অর্থাৎ যখন আন্তর্জাতিক উইন্ডো থাকে, তখন যেন দেশগুলো ‘অর্থহীন’ প্রীতি ম্যাচ না খেলে সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ খেলতে পারে।

এমন ভাবনা থেকে উয়েফা নেশনস লিগ চালু হয় এবং এই টুর্নামেন্ট এখন দারুণ জনপ্রিয়। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে দলগুলোকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। নিচের স্তরে থাকা দলগুলো ভালো খেলে উপরের স্তরের উন্নীত হয়। নেশনস লিগের চারটি আসর মাঠে গড়িয়েছে।

উয়েফার মতোই চিন্তাধারা নিয়ে এগোচ্ছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। এই সংস্থার অন্তর্ভূক্ত ৪৭টি দেশ নিয়ে তারা নেশনস লিগ চালু করতে চায়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এএফসি জানিয়েছে, এশিয়ার জাতীয় দলগুলোকে নিয়মিত ও মানসম্পন্ন প্রতিযোগিতার সুযোগ করে দেওয়াই নেশনস লিগের লক্ষ্য। বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের বাইরে ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতেই এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে।

এএফসির জেনারেল সেক্রেটারি দাতুক সেরি উইন্ডসর জন এক বিবৃতিতে বলেন, “আমাদের ৪৭টি সদস্যদেশের ফুটবলকে আরও এগিয়ে নিতে এএফসি নেশনস লিগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতে এমন কাঠামোর একটি টুর্নামেন্ট ফুটবল সূচিকে আরও আকর্ষণীয় করবে এবং মানসম্পন্ন ম্যাচ উপহার দেবে। একই সঙ্গে জাতীয় দলগুলো অবকাঠামো ও আর্থিক উন্নয়নের দিকেও মনোযোগ দিতে পারবে।”

পড়তে পারেন:

বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আগ্রহী ইউরোপীয় ইউনিয়ন

এএফসি যদি উয়েফার মতো চার স্তরের নেশনস লিগ চালু করে, তাহলে বাংলাদেশকে হয়তো তৃতীয় বা চতুর্থ স্তরে খেলতে দেখা যাবে। কারণ, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের র‌্যাঙ্কিং নিচের দিকে, বর্তমানে ৩৬।

তৃতীয় বা চতুর্থ স্তরে বাংলাদেশ যদি ভালো করতে পারে, তাহলে উপরের স্তরে ওঠার সুযোগ থাকবে।