ওয়াইল্ড কার্ড পেয়ে আসন্ন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি টেনিস তারকা ভেনাস উইলিয়ামস। বয়স ৪৫। এর মধ্য দিয়ে বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামে অংশ নেওয়া সবচেয়ে বেশি বয়সী নারী খেলোয়াড়ের তালিকায় শীর্ষে উঠে গেলেন সাতবারের গ্র্যান্ডস্ল্যামজয়ী এই তারকা।
গত কয়েক বছরে একক ম্যাচে খুব একটা দেখা যায়নি ভেনাসকে। ২০২১ সালের পর এই প্রথমবার মেলবোর্ন পার্কে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মূল ড্রতে নামছেন তিনি। দীর্ঘ সময় কোর্টের বাইরে থাকলেও অভিজ্ঞতা আর আত্মবিশ্বাসে ভর করে আবারও বড় মঞ্চে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভেনাস।
অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতে পেরে উচ্ছ্বসিত ভেনাস নিজেই। ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন,
“অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতে পেরে আমি দারুণ উত্তেজিত। সেখানকার গ্রীষ্মে কোর্টে নামার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। অস্ট্রেলিয়ায় আমার অনেক দুর্দান্ত স্মৃতি রয়েছে। ক্যারিয়ারের এই মুহূর্তে এখানে ফিরতে পেরে সংশ্লিষ্ঠদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এটা আমার কাছে বিশেষ কিছু।”
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে পাঁচটি উইম্বলডন ও দুটি ইউএস ওপেনের একক শিরোপা জিতেছেন ভেনাস উইলিয়ামস। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের একক বিভাগে এখনো শিরোপা না পেলেও ২০০৩ ও ২০১৭ সালে ফাইনাল খেলেছিলেন তিনি।
বয়সের দিক থেকে এবার তিনি ছাড়িয়ে গেলেন জাপানের কিমিকো দাতেকে। দাতে ২০১৫ সালে ৪৪ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলেছিলেন, যদিও প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাঁকে।
এককের পাশাপাশি ডাবলসেও অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ভেনাসের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। চারবার এই গ্র্যান্ড স্ল্যামের ডাবলস শিরোপা জিতেছেন তিনি। আসন্ন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে অকল্যান্ড ক্লাসিকে খেলবেন ভেনাস। এরপর অংশ নেবেন হোবার্ট ওপেনেও।
আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। ১৬ মাসের বিরতি কাটিয়ে গত বছরের ইউএস ওপেন দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক টেনিসে ফিরেছিলেন ভেনাস উইলিয়ামস।
বয়স যতই বাড়ুক, ইতিহাস গড়ার ক্ষুধা যে এখনও ফুরোয়নি—মেলবোর্নে সেটিই প্রমাণ করতে যাচ্ছেন টেনিসের এই মহাতারকা।

