চেলসির বিপক্ষে জিয়ান ফ্লেমিংয়ের গোলে পয়েন্ট পেয়েছে বার্নলি।গোলের পর জিয়ান ফ্লেমিংয়ের উচ্ছ্বাস। ছবি: গেটি ইমেজেস

ম্যাচের ৪ মিনিটেই গোল করে এগিয়ে যাওয়া, আধিপত্য বিস্তার করে খেলা—সবই ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু একটি লাল কার্ড আবারও সব ওলটপালট করে দিল চেলসির জন্য। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে রাতে ১০ জনের চেলসিকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে বার্নলি। ৯৩ মিনিটে জিয়ান ফ্লেমিংয়ের নাটকীয় গোল চেলসির নিশ্চিত জয় কেড়ে নেয়।

ব্রাইটন থেকে ৫৫ মিলিয়ন পাউন্ডে চেলসিতে যোগ দেওয়া জোয়াও পেড্রো দারুণ ফর্মে আছেন। ৪ মিনিটেই পেড্রো নেতোর ক্রস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। এটি লিগে তাঁর শেষ ৬ ম্যাচে পঞ্চম গোল। কিন্তু ম্যাচের ৭২ মিনিটে সব গোলমাল হয়ে যায় যখন ডিফেন্ডার ওয়েসলি ফফানা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়েন। এই লাল কার্ডের ফলে আগামী ম্যাচে লিগ লিডার আর্সেনালের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে তাকে পাবে না চেলসি।

চলতি মৌসুমে চেলসি যেন লাল কার্ডের কারখানায় পরিণত হয়েছে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চেলসি এখন পর্যন্ত ৮টি লাল কার্ড পেয়েছে, যা প্রিমিয়ার লিগের যেকোনো দলের চেয়ে বেশি। শৃঙ্খলাহীনতার এই প্রভাব পয়েন্ট টেবিলেও স্পষ্ট। ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকেও এ মৌসুমে সর্বোচ্চ ১৭ পয়েন্ট হারিয়েছে ব্লুজরা।

১০ জনের চেলসি যখন রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত, তখনই ইনজুরি টাইমের ৩ মিনিটে জেমস ওয়ার্ড-প্রাউসের কর্নার থেকে অরক্ষিত জিয়ান ফ্লেমিং হেডে গোল করে বার্নলিকে সমতায় ফেরান। শেষ বাঁশি বাজার পর চেলসি সমর্থকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং দলকে দুয়োধ্বনি দিয়ে মাঠ ছাড়েন।

টেবিলের চিত্র

এই ড্রয়ের পর চেলসি পয়েন্ট টেবিলের ৪ নম্বরে উঠে এলেও অ্যাস্টন ভিলার সাথে ব্যবধান কমানোর সুযোগ হাতছাড়া করেছে। অন্যদিকে, বার্নলি টেবিলের তলানি থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও সেফটি জোন থেকে এখনো ৮ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে।