এমএস ধোনি মানেই গ্ল্যামার আর রেকর্ডের ছড়াছড়ি। তবে ২০২৬ আইপিএলে তাঁর পারিশ্রমিকের কাঠামোতে এসেছে বড় পরিবর্তন। বর্তমানে তিনি সিএসকে-তে খেলছেন ‘আনক্যাপড প্লেয়ার’ হিসেবে। বিসিসিআই-এর নতুন নিয়ম এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির রিটেনশন পলিসি অনুযায়ী M S Dhoni’র আয় এখন দুটি ভাগে বিভক্ত: একটি নির্দিষ্ট বেতন এবং অন্যটি ম্যাচ ফি। এপ্রিলের শুরুতে পায়ের পেশিতে চোটের গুঞ্জন থাকলেও, মাঠে নামলেই তাঁর আয়ের মিটারটা বেশ দ্রুতই ঘোরে।
রিটেনশন স্যালারি ও আনক্যাপড রুল
২০২৫-২৬ চক্রের জন্য ধোনিকে ৪ কোটি টাকার বিনিময়ে রিটেইন করেছে চেন্নাই (CSK)। আনক্যাপড প্লেয়ার নিয়মের কারণে তাঁর বার্ষিক বেতন আগের তুলনায় কমলেও প্রতি ম্যাচের হিসেবে এটি বেশ ঈর্ষণীয়।
বার্ষিক বেতন: ৪ কোটি টাকা (পুরো মৌসুম)।
ম্যাচ ভিত্তিক ভাগ: একটি দল গ্রুপ পর্বে অন্তত ১৪টি ম্যাচ খেলে। সেই হিসেবে প্রতি ম্যাচে ধোনির বেস স্যালারি দাঁড়ায় প্রায় ২৮.৫৭ লাখ টাকা।
বিসিসিআই-এর নতুন ‘ম্যাচ ফি’ পলিসি
২০২৫ মৌসুম থেকে BCCI আইপিএলে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে রিটেনশন মূল্যের বাইরেও প্রতি ম্যাচের জন্য ক্রিকেটারদের আলাদা ‘ম্যাচ ফি’ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
অফিসিয়াল ম্যাচ ফি: প্রতি ম্যাচে ৭.৫ লাখ টাকা।
সর্বমোট আয়: বেস স্যালারি (২৮.৫৭ লাখ) এবং ম্যাচ ফি (৭.৫ লাখ) যোগ করলে ধোনি প্রতি ম্যাচে মাঠে নামার জন্য পান প্রায় ৩৬ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: এক ওভারেই ১১ বল! আইপিএলে আর্শদীপের লজ্জার রেকর্ড
অতীত বনাম বর্তমান: ধোনির আয়ের বিবর্তন
ধোনির ক্যারিয়ারের স্বর্ণালি সময়ের সাথে বর্তমানের তুলনা করলে দেখা যায় আয়ের কাঠামো কতটা বদলেছে:
| ক্যাটাগরি | আইপিএল ২০২৬ (বর্তমান) | আইপিএল পিক (২০১৮-২১) |
| রিটেনশন স্যালারি | ৪ কোটি টাকা | ১৫ কোটি টাকা |
| ম্যাচ ফি (প্রতি ম্যাচ) | ৭.৫ লাখ টাকা | ০ টাকা (তখন নিয়ম ছিল না) |
| মোট আয় (১৪ ম্যাচ) | ৫.০৫ কোটি টাকা (আনুমানিক) | ১৫ কোটি টাকা |
আরও পড়ুন: আইপিএল নয়, তাহলে কোনটি সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টি–টোয়েন্টি লিগ?
গুরুত্বপূর্ণ নোট: ধোনি যদি ইনজুরির কারণে ম্যাচ মিস করেন (যেমনটি ২০২৬ এপ্রিলের শুরুতে শোনা যাচ্ছে), তবে তাঁর ৪ কোটি টাকার ফিক্সড স্যালারি ইন্স্যুরেন্সের মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে। তবে যে ম্যাচে তিনি স্কোয়াডে থাকবেন না, সেই ম্যাচের জন্য নির্ধারিত ৭.৫ লাখ টাকা ফি তিনি পাবেন না।

