প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস ও ডিভাইসের আসক্তি থেকে মুক্ত রাখতে ক্রীড়া চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। শনিবার থেকে দেশব্যাপী শুরু হতে যাওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি উপলক্ষে আজ শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তরুণ প্রজন্মকে একটি সুস্থ ও মেধাবী জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’। এই আয়োজনের মাধ্যমে একটি টেকসই ও পেশাদার প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে বর্তমান সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন যে, এই কর্মসূচি শিশু-কিশোরদের মধ্যে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা জাগ্রত করবে, যা একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি।
প্রতিভা বিকাশে ঐতিহাসিক অনুপ্রেরণা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যবাহী ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের যে ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে, তারই অনুপ্রেরণায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সুসংগঠিত করতে এই নতুন প্রয়াস। সারাদেশ থেকে খুদে প্রতিভা খুঁজে বের করে আনাই আমাদের সরকারের লক্ষ্য।”
ক্রীড়াকে কেবল শখ নয়, বরং একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল আমরা খেলোয়াড়দের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। যেসব কিশোর-কিশোরী প্রতিভার স্বাক্ষর রাখবে, তারা যেন ভবিষ্যতে কোনো অনিশ্চয়তায় না পড়ে এবং নিশ্চিন্তে খেলাধুলাকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে।”
আরও পড়ুন: নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: প্রতিভা অন্বেষণে সরকারের মেগা প্রজেক্ট
বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়াবৃত্তি
নির্বাচিত প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সুযোগ-সুবিধার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বাণীতে জানানো হয়েছে-
নির্বাচিতদের জন্য থাকছে বিশেষ রাষ্ট্রীয় ক্রীড়াবৃত্তি।
বিকেএসপি-এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বিশ্বমানের দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে তাদের আন্তর্জাতিক মানের তারকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন যে, এই খুদে ক্রীড়া প্রতিভাগুলোই একদিন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে এবং দেশকে বিভিন্ন স্পোর্টস ইভেন্টে সেরা সাফল্য এনে দেবে।

