বাংলাদেশের কথা বাদ দেন। দুনিয়ার ক্রিকেটখেলুড়ে বাকি দেশগুলোর মাঠের কিউরেটরদের আপনি চেনেন? পাশের দেশ ভারতের কিউরেটর কে? কেমন আমতা আমতা খেয়ে যাচ্ছেন, তাই না?

স্বাভাবিক!

কারণ, অন্য দেশে মাঠের কিউরেটর কে বা কারা, সেসব আলোচনাতেই আসে না। তারা থাকেন নিভৃতে, আড়ালে।

কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট যেন আলাদা। এখানে কিউরেটররাও থাকেন লাইম লাইটে, তাদেরকে নিয়ে চলে নানা আলোচনা।

যেমন গামিনি ডি সিলভার কথাই ধরুন। এই লঙ্কান বাংলাদেশে লম্বা সময় ধরে আছেন কিউরেটর হিসেবে। তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার শেষ নেই। বিশেষ করে ঢাকায় মিরপুরে শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের পিচের ধরন নিয়ে তাকে বারংবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে, হচ্ছে।

এখানে বলে রাখা ভালো, পিচের বা উইকেটের ধরন কেমন হবে, তা কেবল কিউরেটর নির্ধারণ করেন না। টিম ম্যানেজমেন্টের চাওয়া অনুসারে তিনি কাজ করেন।

কিন্তু স্পিননির্ভর বাজে উইকেটে খেলা দেখতে দেখতে ক্রিকেটপ্রেমীরা বহুবার গামিনিকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছেন। শেষমেশ বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক আপাতত শেষ হচ্ছে। তাকে বাদ দিচ্ছে বিসিবি।

আরও পড়ুন: শান্তই ফের অধিনায়ক!

গেল জুলাইয়ে গামিনির সঙ্গে নতুন করে এক বছরের চুক্তি করেছিল বিসিবি। তবে চুক্তির ৯ মাস বাকি থাকতেই তাকে ফিরে যেতে হচ্ছে দেশে।

বিসিবি সূত্র বলছে, চুক্তির শর্ত অনুসারে দুই মাসের বেতন দিয়ে তার সঙ্গে চুক্তির ইতি টানা হচ্ছেন। এ বিষয়ে দু-একদিনের মধ্যেই আসবে ঘোষণা।

গামিনি ডি সিলভা ২০১০ সাল থেকে বিসিবির সঙ্গে যুক্ত হন। বহু বছর ধরে তিনি ছিলেন প্রধান কিউরেটর। তবে গেল আগস্টে টার্ফ ম্যানেজমেন্ট উইংয়ের প্রধান হিসেবে টনি হেমিংকে নিয়োগ দেয় বিসিবি। ফলে খর্ব হয় গামিনির ক্ষমতা। এছাড়া গামিনিকে ঢাকা থেকে সরিয়ে পাঠানো হয় রাজশাহীতে। সবমিলিয়ে তার বিদায়ঘন্টা বাজতে শুরু করেছিল আগেই।