ঠিক আগের দিন রোহিত শর্মার সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিলেন বাবর আজম। এবার পাকিস্তানের এই তারকা ভাঙলেন বিরাট কোহলির সর্বোচ্চ ফিফটির রেকর্ডও।

আর বাবর আজমের দারুণ ফিফটিতে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৪ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।

শনিবার লাহোরে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ৯ উইকেটে ১৩৯ রান। ১৯ ওভারে ম্যাচ জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

শুক্রবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১১ রানে অপরাজিত থাকার সময়ই টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে রোহিত শর্মার সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেঙে দেন বাবর আজম। এরপর শনিবার তিনি ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন। এতে টি-টোয়েন্টিতে বিরাট কোহলির সঙ্গে নিজের সর্বোচ্চ ৩৯ ফিফটির রেকর্ড ভেঙে ৪০টির নতুন রেকর্ড গড়েন বাবর আজম।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৩ ইনিংস পর ফিফটি পেলেন পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে ৩৬ বলে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন ওপেনার রিজা হেনড্রিকস। এ ছাড়া অধিনায়ক ডোনোভান ফেরেইরা ১৪ বলে ২৯ ও অলরাউন্ডার করবিন বশ ২৩ বলে করেন ৩০ রান। পাকিস্তানি গতিতারকা শাহিন শাহ আফ্রিদি ২৬ রানে নেন ৩ উইকেট।

রান তাড়ায় ইনিংসের ৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাবর ব্যাটিংয়ে নামেন এরপরই। দ্বিতীয় উইকেটে সাহিবজাদা ফারহানকে নিয়ে ৩৬ রান জুটি গড়েন তিনি। এরপর তৃতীয় উইকেটে সালমান আগাকে নিয়ে ৫২ বলে যোগ করেন আরও ৭৬ রান। ২৬ বলে ৩৩ রান করে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান যখন ফিরে যান, তখন ২৭ বলে ২০ রান দরকার পাকিস্তানের।

আরও ৫ রান যোগ হতে ফিরে যান বাবরও। তবে ফেরার আগে ৪৭ বলে ৯টি চারে ৬৮ রানের ঝলমলে ইনিংস উপহার দেন তিনি। জয়ের জন্য পরের ১৫ রান যোগ করতে পাকিস্তান আরও দুই উইকেট হারিয়ে বসে।

আগামী মঙ্গলবার থেকে ফয়সালাবাদে শুরু হবে দুই দলের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।

*সংক্ষিপ্ত স্কোর>>

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ১৩৯/৯ (হেনড্রিকস ৩৪, বশ ৩০*, ফেরেইরা ২৯, ব্রেভিস ২১; আফ্রিদি ৩/২৬, তারিক ২/২৬, ফাহিম ২/২৮)।
পাকিস্তান: ১৯ ওভারে ১৪০/৬ (বাবর ৬৮, সালমান ৩৩, ফারহান ১৯; বশ ২/২৪, উইলিয়ামস ২/২৬)।
ফল: পাকিস্তান ৪ উইকেটে জয়ী।
সিরিজ: ৩-ম্যাচ সিরিজে পাকিস্তান ২-১ ব্যবধানে জয়ী।