রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

এ যেন সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি! ভারতের বিপক্ষে সে ম্যাচে সুপার ওভারে জিতে ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। এবার ফাইনালেও সুপার ওভার! তবে এবার আর জয়ী দলের নাম বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তান!

তীরে এসে তরী ডুবিয়ে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে রানারআপ হয়ে ফিরতে হচ্ছে আকবর আলীর দলকে। আর বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে উল্লাস করছে পাকিস্তান।

সুপার ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমে চাপ নিতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। ওপেনার সোহান প্রথম বলে সিঙ্গেল নেন, এরপর আর স্ট্রাইকই পাননি তিনি। এর আগেই দুই উইকেট শেষ!

আব্দুল গাফফার সাকলাইন প্রথম বলেই বোলার আহমেদ দানিয়ালের হাতে ক্যাচ দেন। পরের বলে ওয়াইড ও বাই থেকে আসা চার মিলিয়ে বাংলাদেশের স্কোর হয় ৬ রান। এর পরের বলেই জিসান আলম বোল্ড!

৭ রানের লক্ষ্যে পাকিস্তান আর পথ হারায়নি। রিপন মণ্ডলের করা ওভারের ৪ বলেই ৮ রান তুলে নেয় তারা।

এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে পাকিস্তান। বাংলাদেশের দারুণ বোলিং তাদেরকে উড়তে দেয়নি ম্যাচে। সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করা রিপন মণ্ডল ফাইনালেও চেনালেন নিজেকে। ডানহাতি পেসার ৪ ওভারে ২৫ রান খরচায় নিলেন ৩ উইকেট। সঙ্গে বাঁহাতি স্পিনার রকিবুল হাসানের ২ উইকেট।

পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৬ বলে ৩৮ রান করেন সাত নম্বরে নামা সাদ মাসুদ। আরাফাত মিনহাজ করেন ২৩ বলে ২৫ রান।

১২৫ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান ‘এ’ দল।

জবাব দিতে নেমে হাবিবুর রহমান সোহানের ব্যাটে ঝড়ো সূচনা পায় বাংলাদেশ। কিন্তু দ্রুত ফিরে যান জিসান আলম (৪ বলে ৬)। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ৫ বলে শূন্যতে ফিরেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ডাক পাওয়ার দিনে ব্যাট হাতে বাজে ফর্ম দেখালেন এই তরুণ।

ওপেনার সোহান ১৭ বলে ৩টি চার ও ২টি ছয়ে ২৬ রান করেন।

ইয়াসির আলী (১০ বলে ৮), অধিনায়ক আকবর আলী (১০ বলে ২), মাহফুজুর রহমান রাব্বি (৯ বলে ৩), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী (২ বলে ০) সবাই ব্যর্থ।

৪৮ রানে পঞ্চম উইকেট, ৫৩ রানে ৬ষ্ঠ ও সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৯০ রানে নেই ৮ উইকেট! তখনই হার দেখছিল টাইগাররা।

তবে মেহরবের ২১ বলে ১৯ এবং শেষদিকে রকিবুল হাসানের ২১ বলে ২৪ ও আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ১২ বলে ১৬ রানের কল্যাণে ম্যাচ টাইয়ের দিকে নিয়ে যায় বাংলাদেশ।

কিন্তু সুপার ওভারে এসে সব শেষ!