বিপিএলে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার সন্দেহে ৯ ক্রিকেটারকে এবার নিলাম থেকে বাদ দেওয়া হয়। এই বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।
এবার বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের সাবেক সদস্য ও বিসিবির সাবেক পরিচালক ফাহিম সিনহা।
বিপিএলের চূড়ান্ত নিলাম তালিকায় না থাকা ৯ ক্রিকেটারের মধ্যে প্রাথমিক তালিকায় ছিলেন ৮ জন। তারা হলেন- দুর্দান্ত রাজশাহীর এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, সানজামুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান, ঢাকা ক্যাপিটালসের মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও আলাউদ্দিন বাবু এবং সিলেট স্ট্রাইকার্সের আরিফুল হক ও নিহাদুজ্জামান।
৯ ক্রিকেটারের অপরজন পেসার আল আমিন হোসেন, যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব ক্রিকেটারদের কেউ দোষী প্রমাণিত হননি এবং তারা অন্যান্য সব লিগে খেলতে পারবেন। তবে বিপিএলে খেলতে পারবেন না।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিজয় সরণিতে কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিটন (সিসিডিএম)-এর একটি সভা ছিল। সেখানে অংশ নেয় ক্রিকেটের ক্লাব সংগঠকদের একটি অংশ। আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে ফাহিম সিনহা তার অবস্থান স্পষ্ট করেন।
তিনি বলেন, ‘‘এটা একেবারে একটা অযোক্তিক ব্যাপার। বিপিএলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আওতাধীন একটি ইন্টেগ্রিটি বিভাগ আছে। ওই বিভাগের চেয়ারম্যান বলে দিলো একটা বিশেষ (বিপিএল) লিগে খেলতে পারবে না। কী কারণে খেলতে পারবে না, এটা পরিস্কার ও সুনির্দিষ্ট করাটা জরুরি। এইটা করতে না পারলে আমার মনে হয়, এটা তাদের সাথে অবিচার করা হচ্ছে।’’
‘‘যদি লিগ্যালি সত্যিকারের কোনো প্রমাণ থাকে যে ওরা কোনো অন্যায় করেছে। তাহলে সব লিগ থেকে তাদেরকে বাদ দিয়ে দেওয়া উচিত। তখন ওই বিষয়ের সঙ্গে আমাদের কোনো দ্বিমত থাকবে না। কোনো প্রমাণ ও যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া ছাড়া এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণটি জনগণের কাছে পৌঁছানো উচিত ছিল যে, কী কারণে এদেরকে আমরা বাদ দিলাম।’’
বিসিবির অভ্যন্তরের থাকা ‘অভিযুক্তদের’ শাস্তি দেওয়ার কথাও বললেন ফাহিম সিনহা।
তার মতে, ‘‘অভিযুক্তদের যদি শাস্তি দিতে হয়, বোর্ডের ভিতরেও তো অনেক অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এখন পরিচালক হয়ে আছে। অভিযুক্তদের যদি আমরা প্রমাণ পাওয়ার আগে শাস্তি দিয়ে দেই। তাহলে ওনাদেরও এই শাস্তি হওয়া উচিত বা বহিষ্কার করা উচিত।’’

