এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ঘরের মাঠে বাংলাদেশ খেলেছে তিনটি ম্যাচ। হামজা চৌধুরী, শমিত সোমদের কল্যাণে এসব ম্যাচে গ্যালারি ছিল পূর্ণ, স্পন্সরও ছিল অনেক।
সবমিলিয়ে বহুদিন পরে দেশের ফুটবলাঙ্গনে প্রাণ ফেরায় এসব ম্যাচ। এবার এসব ম্যাচ থেকে প্রাপ্য আয়ের হিসাব প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
তারা জানিয়েছে, তিনটি ম্যাচ থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা আয় হয়েছে।
আয়ের তথ্য জানালেও ব্যয়ের তথ্য অবশ্য জানাতে ব্যর্থ বাফুফে। এ নিয়ে এখনও তারা নাকি কাজ করছে।
আজ বুধবার বাফুফের নির্বাহী কমিটির সভা ছিল। সভা শেষে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু আয়ের তথ্য জানান।
তিনি জানান, বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের ম্যাচ থেকে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা, বাংলাদেশ-হংকং ম্যাচ থেকে ১ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ৮৭৪ টাকা আয় হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ থেকে। এ ম্যাচে আয় ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলে বাংলাদেশ গত ৬ জুন। এরপর প্রায় ছয় মাস হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ করেনি বাফুফে। অন্য ম্যাচগুলোর ব্যয় কতো, সেই তথ্যও নেই।
মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান বললেন, “ব্যয় নিয়ে কাজ চলছে। আপনারা বলেছেন এজন্য আয় জানালাম।”
আয়ের হিসাব জানিয়েছেন, ঠিক। কিন্তু তাতেও দেখা গেল গরমিল। প্রথমে শুধু টিকিট বিক্রি থেকে এই পরিমাণ আয় হয়েছে বলে জানান বাবু। এরপরে জানান, টিকিট বিক্রিসহ সব খাত মিলিয়ে এই টাকা আয় হয়েছে।
এদিকে, নেপাল ও ভুটানের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। সে দুই ম্যাচের আয়-ব্যয়ের তথ্যও জানায়নি বাফুফে।

