মোহাম্মদ আশরাফুল ও মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন

তাহলে ওটা ‘ভুল বোঝাবুঝি’ ছিল? তাহলে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়াটাই ভুল ছিল?

এখন অন্তত মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন ‘ভুল বোঝাবুঝি’র কথাই বলছেন। বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের আগে বিসিবিতে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন দলের এই সিনিয়র সহকারী কোচ। এই সিরিজের পর আর থাকতে চাননি তিনি।

তবে সালাহ উদ্দীন কোথাও যাচ্ছেন না! থাকছেন জাতীয় দলের সঙ্গেই। আর যা ঘটেছে, তা নাকি সব ‘ভুল বোঝাবুঝি’।

ওদিকে, আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দলে ব্যাটিং কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। এই এক সিরিজের জন্যই তাকে দলে নেওয়া হয়েছিল। তবে আয়ারল্যান্ড সিরিজ শেষে এখন বিসিবি চাইছে, আশরাফুলও যাতে থেকে যান। ‘অ্যাশ’ও তাতে রাজি।

জাতীয় দলের কোচ হিসেবে থাকা প্রসঙ্গে মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন আজ বলেন, “আছি, আমি আছি।”

তাহলে পদত্যাগপত্র কেন জমা দিয়েছিলেন? অভিমান থেকে?

সালাহ উদ্দীন বলেন, “সেটা বলতে চাচ্ছি না। এটা আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। ঠিক হয়ে গেছে।”

সালাহ উদ্দীনের পদত্যাগপত্র নিয়ে বিসিবির পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমও জানালেন, সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে তিনি থাকছেন।

ফাহিম বলেন, “তখন সে আসছিল (পদত্যাগপত্র নিয়ে)। ওটা ওখানেই শেষ হয়ে গেছে।”

দলের ব্যাটিং নিয়ে সমালোচনার মুখে সালাহ উদ্দীন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। কারণ, ব্যাটিংটা তিনিই দেখেন মূলত। বিশেষ করে জাকের আলী অনিক, নুরুল হাসান সোহানদের টানা ব্যর্থতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হয়।

আইরিশ সিরিজে মোহাম্মদ আশরাফুলকে বিশেষজ্ঞ ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সালাহ উদ্দীনের বিদায়ের আবহেই অগ্রিম প্রস্তুতি হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত সম্ভবত নিয়েছিল বিসিবি।

এখন সালাহ উদ্দীনও থাকছেন, তাহলে আশরাফুলের কী হবে?

উত্তর দিলেন বিসিবির পরিচালনা বিভাগের প্রধান , “যারা আছে। সবাই চালিয়ে যাবে। বাংলাদেশ দলে এখন খুব ভালো পরিবেশ আছে। আমরা চাই সেটা বজায় থাকুক।”