-টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকছেন বাংলাদেশের দুই আম্পায়ার

নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ দল এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না। তবে বিশ্বক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এই মঞ্চে বাংলাদেশের উপস্থিতি পুরোপুরি হারিয়ে যাচ্ছে না। আম্পায়ারিংয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে থাকছেন দেশের দুজন প্রতিনিধি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) প্রকাশিত চূড়ান্ত আম্পায়ার তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত ও গাজী সোহেল। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করে আইসিসি।

আইসিসির এলিট প্যানেলে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি শরফুদ্দৌলা। আগেও তিনি বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, গাজী সোহেলের জন্য এটি হতে যাচ্ছে ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ।

বাংলাদেশ দল ভারতে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও, শরফুদ্দৌলা ও গাজী সোহেলের বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই গুঞ্জনই সত্যি হলো আইসিসির ঘোষণায়।

প্রাথমিক পর্বের আম্পায়ারিং

প্রাথমিক পর্বের ম্যাচ পরিচালনার জন্য আইসিসি মোট ৬ জন ম্যাচ রেফারি ও ২৪ জন আম্পায়ারকে চূড়ান্ত করেছে। এই তালিকায় থাকা দুই বাংলাদেশি আম্পায়ারই থাকছেন ম্যাচ পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে।

সাবেক বাঁহাতি স্পিনার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত এখন পর্যন্ত ৭৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে ৫৪টি ম্যাচে তিনি অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে কাজ করেছেন।

আইসিসির চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পাওয়া বাংলাদেশি আম্পায়ার গাজী সোহেল ও শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
গাজী সোহেল ও শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত

গাজী সোহেল অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে পরিচালনা করেছেন ৪০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। এ ছাড়া টিভি আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আরও ১৯টি ম্যাচে।

উদ্বোধনী ম্যাচের দায়িত্ব

শ্রীলঙ্কার সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ৭ ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। এই ম্যাচটি পরিচালনা করবেন কুমার ধার্মাসেনা ও ওয়েইন নাইটস।

শ্রীলঙ্কার ১৯৯৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ধার্মাসেনা এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩৭টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৬ ও ২০২২ আসরের ফাইনালও।

নিউ জিল্যান্ডের আম্পায়ার ওয়েইন নাইটসের জন্য এবারের বিশ্বকাপ হবে অভিষেক মঞ্চ। উদ্বোধনী ম্যাচটি হবে তার ক্যারিয়ারের ৫০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

আইসিসি জানিয়েছে, সুপার এইট ও নকআউট পর্বের ম্যাচগুলোর আম্পায়ার তালিকা পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।