ক্রিকফুট২৪ডটকম ডেস্ক:
যেকোনো দলই চায় সহজে প্রতিপক্ষকে ধ্বসিয়ে দিয়ে জয় নিশ্চিত করা। কিন্তু বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস চাইছেন ভিন্ন কিছু। তার চাওয়া ‘কঠিন চ্যালেঞ্জ’।
সামনের বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এর আগে বাংলাদেশের সামনে আছে কেবল মাত্র ৬টি টি-টোয়েন্টি। লিটন দাস তাই চাইছেন, আগামীকাল সোমবার শুরু হয়ে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা যেন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সোমবার মাঠে গড়াবে প্রথম ম্যাচ।
এরপর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ আছে সাইফ হাসানদের।
আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে এসে লিটন দাস বললেন, সামনের ছয়টি ম্যাচই যেন কঠিন লড়াই করেন ক্রিকেটাররা।
লিটন দাস বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, আমি দুইটা সিরিজে চাই, যেন আমাদের খেলোয়াড়রা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। সেটা ব্যাটিংয়ে হতে পারে, বোলিংয়ে হতে পারে। আমি মনে করি, এই ছয়টা ম্যাচে আমরা যতোটা পিছিয়ে থাকব, ততোটাই ভালো। ব্যাকফুটে থাকব, এর অর্থ… চ্যালেঞ্জের কথা বলছি। এই না যে, আমরা ম্যাচে পিছিয়ে থাকব। আমি চাই, বোলাররা যখন বল করবে তখন যেন চাপ থাকে। যে জিনিসগুলো ভবিষ্যৎ মানে সামনে যেহেতু বিশ্বকাপ, সেখানে আমাকে সাহায্য করবে।’
সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস ও নেপালকে। এক আসরে এটাই ছিল টাইগারদের সর্বোচ্চ জয়ের নজির।
চলতি বছর বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয় পেয়েছে। আগের চেয়ে এখন পার্থক্য কোথায়?
লিটন বলেন, ‘পার্থক্য তেমন কিছু না। এখন আমরা চেষ্টা করছি ভালো উইকেটে খেলার জন্য। আপনি যখনই ভালো উইকেটে খেলবেন. ব্যাটারদের সফল হওয়ার সুযোগটা বেশি থাকবে। দলে যতোগুলো ক্রিকেটার আছে ছয় থেকে সাত পর্যন্ত যতো ব্যাটার আছে তাদের মধ্যে আমার ছয়ের সংখ্যা কম। দলের এখন বেশির ভাগ ক্রিকেটারই বড় বড় ছয় মারতে পারেন। এটা বাংলাদেশ দলের জন্য ইতিবাচক দিক। কিন্তু একই সঙ্গে ক্রিকেট শুধু ছয়ের ওপর দিয়ে গেলে হবে না। যদি প্রয়োজন হয় ছক্কা মারবে। অন্যথায় প্রয়োজন পড়লে এক দু্ই রানের দিকেও যেতে হবে।’
‘সংস্করণ ভেদে ক্রিকেটারের মানসিকতা বলেন বা আগ্রাসন, একটু পরিবর্তন হয়ে যায়। উইকেট ভেদেও হয়, সংস্করণ ভেদেও হয়। তাই আমার মনে হয়, যেহেতু এই সংস্করণটা খেলোয়াড়রা জানে, অনেকদিন ধরে খেলছে এবং বেশিরভাগ খেলোয়াড় সফল হয়েছে। তো তারা জানে যে কোন ঘরানার ক্রিকেট খেললে এখানে সফল হওয়া যাবে।’’

