সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাট ও বলের লড়াইয়ে একচেত্র দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। তবে মাঠের সেই একতরফা খেলার মাঝেই কিছুটা উত্তাপ ছড়িয়েছিল দুই দলের ক্রিকেটারদের কথার লড়াই। চায়ের বিরতির ঠিক আগে মুশফিকুর রহিম ও তাইজুল ইসলামের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সেই স্লেজিংয়ের ভেতরের গল্প শুনিয়েছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
মুশফিকের সঙ্গে শান মাসুদের বাগ্বিতণ্ডা
চা বিরতির ঠিক আগের ওভারে ঠিক কী কারণে ঘটনার সূত্রপাত, তা স্পষ্ট জানা যায়নি। তবে পাকিস্তানি অধিনায়ক শান মাসুদকে হঠাৎ দেখা যায় ব্যাটিং করতে থাকা মুশফিকুর রহিমের দিকে এগিয়ে গিয়ে কিছু একটা বলতে। মুশফিক শুরুতে কিছুটা অবাক হলেও পরে মাসুদের কথার কড়া জবাব দেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে তখন উইকেটের অন্য প্রান্ত থেকে এগিয়ে যান তাইজুল ইসলাম। এরপর মাসুদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথার লড়াই চলে তাইজুলেরও।
আরও পড়ুন:
মুশফিকের রেকর্ড সেঞ্চুরি, প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৬ হাজার রান
তাইজুলকে সাউদ শাকিলের খোঁচা
অধিনায়কের পর এবার তাইজুলকে স্লেজিংয়ের চেষ্টা করেন পাকিস্তানের ফিল্ডার সাউদ শাকিল। ঘটনার বিবরণ দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তাইজুল বলেন, “ম্যাচে অনেক কিছুই ঘটে। ওরা দীর্ঘ সময় ফিল্ডিং করায় হয়তো মেজাজ ধরে রাখতে পারেনি। মুশি ভাই আম্পায়ারের সাথে স্বাভাবিক কথা বলছিলেন, কিন্তু মাসুদ কী বুঝে যেন হুট করে রিঅ্যাক্ট করল।”
শাকিলের মন্তব্যের জবাবে এই স্পিনার আরও বলেন, “শাকিল আমাকে এসে বলছিল—তুমি ব্যাটিং করতে আসো। আমি ওকে বললাম, ব্যাটিং করাটা তো আমার কাজ, এটা নিয়ে তোমার ভাবার কিছু নেই।”
বাউন্ডারি মেরে মাঠেই মোক্ষম জবাব
এই কথার লড়াইয়ের পরপরই তাইজুলকে দমাতে বাউন্সার মারেন পাকিস্তানি পেসার খুররাম শাহজাদ।
তবে দমে না গিয়ে এক পা উঁচিয়ে চমৎকার এক ক্যারিবীয় স্টাইলের পুল শটে বল সীমানার বাইরে পাঠান তাইজুল। মাঠের সেই শটটি স্লেজিংয়ের জবাব ছিল কি না, এমন প্রশ্নে অবশ্য লাজুক হেসে তাইজুল জানান, বলটি মারার মতোই ছিল, তাই শট খেলেছেন।

