গতি, দক্ষতা ও গোল—সবমিলিয়ে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন তরুণ ফরোয়ার্ড এস্তেভাও। সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচে করেছেন দারুণ এক গোল। ১৮ বছর বয়সী এই তরুণের প্রতিভায় মুগ্ধ ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে কাল রাতে সেনেগালকে ২-০ গোলে হারিয়ে নিজের ব্রাজিল ক্যারিয়ারে চতুর্থ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তরুণ ফরোয়ার্ড এস্তেভাওকে নিয়ে প্রশংসার বন্যা বইয়ে দেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ বস।
লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে কাল রাতে সেনেগালের বিপক্ষে খেলে ব্রাজিল। এর আগে দুটি ম্যাচে তারা মুখোমুখি হয়েছিল। প্রথমটি (২০১৯) ছিল ড্র, দ্বিতীয়টিতে (২০২৩) ব্রাজিল হেরে গিয়েছিল ৪-২ ব্যবধানে।
তবে তৃতীয় ম্যাচে এসে সেনেগালকে ২-০ গোলে হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বজয়ীরা। ম্যাচে এস্তেভাও ও কাসেমিরো গোল করেন।
ম্যাচ শেষে ১৮ বছর বয়সী এস্তেভাওকে নিয়ে কার্লো আনচেলত্তি বলেন, ‘এস্তেভাও ডান দিকটা দারুণভাবে ব্যবহার করেছে। ওর প্রতিভা অবিশ্বাস্য। এত কম বয়সে এমন পরিপক্ব খেলা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। সে মাঠে যেমন প্রভাব বিস্তার করে, ঠিক তেমনই নির্ভুল তার ফিনিশিং। সে খুবই প্রভাবশালী ফুটবলার। আমি নিশ্চিত, তার হাতে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ নিরাপদ।’
এস্তেভাও এবং এদের মিলিতাওয়ের মধ্যে ম্যাচে চমৎকার বোঝাপড়া ছিল। এই বিষয়টিও নজর এড়ায়নি আনচেলত্তির, ‘আমার মনে হয় মিলিতাও এবং এস্তেভাও জুটি দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। মিলিতাও শারীরিক ও মানসিকভাবে অসাধারণ ফিট। আমার মনে হয় দুই বছর ধরে খেলার বাইরে থাকা তাকে মানসিকভাবে অনেক পরিণত করেছে। আর এস্তেভাওয়ের বয়স এখন কম। তার আরও উন্নতি করতে হবে। তবে তার মাঝে প্রতিভার কোনো ঘাটতি নেই।’
আগামী মঙ্গলবার তিউনিসিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এরপর আর আগামী মার্চে ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচ আছে তাদের।
আনচেলত্তির অধীনে সাত ম্যাচে ব্রাজিলের জয় চারটি। একটি ড্র এবং দুটি পরাজয়।

