Fifa football

এমনিতেই ফুটবলে ঠাসা সূচি। এর মধ্যে নতুন আরেকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট চালুর ঘোষণা দিয়েছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

‘ফিফা সিরিজ ২০২৬’ নামে এই প্রতিযোগিতার প্রথম আসর বসবে আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিলে। পুরুষ ও নারী জাতীয় দল টুর্নামেন্টে অংশ নেবে।

ফিফা জানিয়েছে, তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত ও দুর্বল ফুটবলখেলুড়ে দেশগুলোর উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে এই নতুন টুর্নামেন্ট চালু করা হচ্ছে।

পুরুষ জাতীয় দলের টুর্নামেন্ট হবে অস্ট্রেলিয়া, আজারবাইজান, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, মরিশাস, পুয়ের্তো রিকো, রুয়ান্ডা ও উজবেকিস্তানে।

নারী জাতীয় দলগুলোকে নিয়ে প্রতিযোগিতা হবে ব্রাজিল, থাইল্যান্ড ও আইভরি কোস্টে।

পড়তে পারেন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ গ্রুপে ইংল্যান্ড, উইন্ডিজ, নেপাল, ইতালি!

ফিফা জানিয়েছে, এই টুর্নামেন্টে ভিন্ন ভিন্ন মহাদেশীয় সংস্থার দলগুলো একে অপরের মুখোমুখি হবে প্রীতি ম্যাচের আকারে। এতে আন্তর্জাতিক সূচিতে নতুন করে কোনো ম্যাচ যোগ করতে হবে না, কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বি দলগুলো মূল্যবান প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ফিফা সিরিজের মূল লক্ষ্য হলো খেলোয়াড়, কোচ ও ভক্তদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা। এর পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মাধ্যমে ফুটবলের সর্বজনীনতা ও বৈচিত্র্যকে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা।

ফিফার বস আরও যোগ করেন, ২০২৬ সালের আয়োজনটি বিশ্বের নারী ও পুরুষ উভয় জাতীয় দলকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এ প্রতিযোগিতার লক্ষ্য হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাটিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা, যেখানে বিভিন্ন দেশের দল একে অপরের মুখোমুখি হবে এবং স্থানীয় সম্প্রদায়গুলো বৈশ্বিক মঞ্চে নিজেদের তুলে ধরার যথেষ্ট সুযোগ পাবে।

ফিফা সিরিজ নামের নতুন টুর্নামেন্ট চালু করতে ২০২৪ সালের মার্চে পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছিল ফিফা। তাতে সফল আয়োজনের পর ফিফা এবার আরও একধাপ এগিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এই টুর্নামেন্ট চালু করতে যাচ্ছে। তবে পাইলট প্রকল্পের চেয়ে আরও বেশি সদস্যদেশ, আরও বেশি ভেন্যু যুক্ত হবে এবং ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যোগ দেবে নারী জাতীয় দলগুলোও।

ফিফা এই নতুন টুর্নামেন্ট সম্পর্কে আগামী বছরের শুরুতে বিস্তারিত জানাবে।