মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ফারুক আহমেদ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গত বছরের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত নির্বাচন নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এই তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ এনএসসি গঠিত ৫ সদস্যের কমিটির মুখোমুখি হয়েছেন বিসিবি সহসভাপতি ফারুক আহমেদ। নির্বাচন নিয়ে ওঠা অনিয়মের অভিযোগকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ ও ফারুকের ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে শুরু থেকেই ‘অবৈধ’ দাবি করে আসছেন তামিম ইকবাল ও তাঁর সমমনা সংগঠকরা। তবে ফারুক আহমেদের দাবি, যেখানে কোনো শক্ত প্রতিপক্ষই ছিল না, সেখানে অনিয়মের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তিনি জানান, ৭৬ জন ভোটারের মধ্যে ৪২ জন ভোট দিয়েছেন এবং তিনি নিজে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিপক্ষ না থাকায় এই ভোটাভুটি প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ বলে দাবি করেছেন তিনি।

তদন্ত কমিটির মুখোমুখি ও আমজাদ হোসেনের পদত্যাগ

বিসিবি নির্বাচনে কারসাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গত ১১ মার্চ ৫ সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে এনএসসি। এই ডামাডোলের মধ্যেই বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর কেউ কেউ নির্বাচন আরও স্বচ্ছ হতে পারত বলে মন্তব্য করলেও ফারুক আহমেদ মনে করেন, এসব কথা পদত্যাগের আগেই বলা উচিত ছিল।

তাঁর মতে, নতুন কমিটির হাতে চার বছর সময় থাকলে উন্নতির অনেক সুযোগ থাকে।

কমিটির সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু

তদন্ত কমিটির সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করলেও বিস্তারিত কিছু গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেননি ফারুক আহমেদ। তবে তিনি জানান, কমিটির সদস্যরা ক্রিকেট নিয়ে বেশ আগ্রহী এবং স্বচ্ছতা বজায় রেখেই কাজ করছেন। ৪০ বছরের ক্রিকেটীয় অভিজ্ঞতা থেকে ফারুক আহমেদ সব সত্য তথ্য কমিটির কাছে তুলে ধরেছেন বলে দাবি করেন।

এদিকে, শনিবার দিবাগত রাতে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরে আজ থেকে বিসিবি কার্যালয়ে অফিস শুরু করেছেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে গিয়ে ক্রিকেটাদের সাথেও কথা বলেন।