যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মব্যস্ত সোমবারটি দেশের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর জন্য বরাদ্দ রেখেছিলেন মো. আমিনুল হক। এদিন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) দেশের ৫২টি ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় বসেন তিনি। সভায় বিসিবির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন প্রতিমন্ত্রীর কর্মপরিকল্পনায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বিসিবি সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ।
বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, “আমি ক্রিকেট বোর্ডকে প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি। নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছি। উনি একজন খেলোয়াড় মানুষ, তাই খেলার মাঠের ভাষা বোঝেন। অত্যন্ত চমৎকারভাবে তিনি সভা শুরু করেছেন এবং নিজের ভিশন আমাদের জানিয়েছেন।”
সভায় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ফেডারেশনগুলোর সমস্যাগুলো গুরুত্বের সাথে শুনেছেন এবং নোট নিয়েছেন। ফারুক আহমেদ জানান, প্রতিমন্ত্রী দেশের মাঠ সংকট সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সাথে শিক্ষা কারিকুলামে ক্রীড়া শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা এবং ক্রীড়া কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
ফারুক আহমেদের মতে, প্রতিমন্ত্রীর ‘স্পোর্টস ব্যাকগ্রাউন্ড’ দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য একটি বড় ইতিবাচক দিক।
৫২টি ফেডারেশনকে নিয়ে একসাথে বড় সভা করার পাশাপাশি ছোট পরিসরে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন বিসিবি সহ-সভাপতি। তিনি বলেন, “আমি বলেছি, ৫টি করে ফেডারেশন নিয়ে যদি আলাদা মিটিং করা হয়, তবে আমরা আরও বিস্তারিত আলোচনা করতে পারব। এটি সবার জন্যই ভালো হবে।”
দীর্ঘদিন ধরে স্থবির থাকা ফেডারেশনগুলোর সমস্যা—বিশেষ করে বাজেট সংকট, মাঠের অভাব এবং প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী যে মনোযোগ দেখিয়েছেন, তাতে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন ক্রীড়া সংগঠকরা। বিসিবির মতো বড় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ছোট ফেডারেশনগুলোও এখন প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায়।

