নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ আজ আবার দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। আগের ঢেউ—সিলেটে অনুশীলনের সময় হঠাৎ রাগে হোটেলে চলে যাওয়ার ঘটনা—এবার পূর্ণতার মধ্য দিয়ে মিটেছে। সহকারী কোচ তালহা জুবায়েরও ফিরে এসেছেন।
দল এবং মালিকপক্ষের সমর্থনে খালেদ মাহমুদ আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে বললেন, “মুহূর্তের উত্তেজনায় কিছু ঘটেছিল। এটা সম্পূর্ণ ভুল বোঝাবুঝি। মালিকপক্ষ এবং বিসিবি দুজনেই আমার সঙ্গে কথা বলেছেন, তাই সব কিছু এখন ঠিক হয়ে গেছে।”
কী কারণে উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল, তাও ব্যাখ্যা করেছেন কোচ, “অনুশীলনের সময় প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট পাইনি। তখন মেজাজটা একটু খারাপ হয়ে গেল। হয়তো কিছুটা বাজে ব্যবহারও হয়ে গেছে। এটা মুহূর্তের রাগ।”
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক জানিয়েছেন, এক কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনালাপের সময় খালেদ মাহমুদ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, এবং ওই কর্মকর্তা দল থেকে সরানো হয়েছে।
এবারের বিপিএল শুরু হওয়ার আগে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের দায়িত্ব নিতে হয়েছে বিসিবিকে এবং নতুন টিম ম্যানেজমেন্ট সাজানো হয়েছে।
খালেদ মাহমুদ সবকিছুকে সুষ্ঠুভাবে সমাধান করেছেন এবং বলেছেন, “বিসিবিকে দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। হয়তো কিছুটা তাড়াহুড়ো হয়েছে। বড় একটি টুর্নামেন্ট, যেখানে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজিরা অংশ নেয়, অনেক টাকা খরচ করে, সেখানে এই ধরনের সমস্যা আর হওয়া উচিত না। আশা করি তারা বিষয়গুলো দেখবেন এবং আরও সাবলীলভাবে আয়োজন করবেন।”

