চট্টগ্রাম রয়্যালসের লোগো

বিপিএলের দ্বাদশ আসরের শুরুতে মাত্র ২৪ ঘণ্টা বাকি থাকতেই হঠাৎ চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক আবদুল কাইয়ুম ফ্র্যাঞ্চাইজি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন। আজ সকালে বিসিবিকে পাঠানো চিঠিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, আর্থিক সমস্যার কারণে তারা আর টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারছেন না।

এই ঘোষণা সঙ্গে সঙ্গে বিপিএলের পরিবেশে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। ফ্র্যাঞ্চাইজির হঠাৎ সরে যাওয়ায় পুরো আসরের ফরম্যাট ও সূচি বিপদে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। টুর্নামেন্টের সূচি চূড়ান্ত হলেও, চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই অচানক সরে যাওয়া সমীকরণকে পুরোপুরি পাল্টে দিতে পারতো।

এই পরিস্থিতিতে বিসিবি তৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। মালিকানা নিযেছে বিসিবি।

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, “চট্টগ্রাম রয়্যালসকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই বিসিবি তার মালিকানা গ্রহণ করেছে এবং টিম পরিচালনা দেখভাল করবে।”

মালিকানা ছাড়াই শুধু দায়িত্ব গ্রহণ নয়, কোচিং স্টাফ ও পরিচালনা পর্ষদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। হাবিবুল বাশার সুমনকে টিম ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন মিজানুর রহমান বাবুল। পুরো ফ্র্যাঞ্চাইজির অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ব্যবস্থাপনা বিসিবি তদারকি করবে।

আরও পড়ুন:
বিপিএল শুরুর ঠিক আগে সরে যাচ্ছে চট্টগ্রাম রয়্যালস!

প্রথমে কোচ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল মমিনুল হকের নাম। তিনি নিজেও চট্টগ্রামের সন্তান এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্রাদার্স ইউনিয়নের কোচ। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার জাস্টিন কেম্পকে প্রধান কোচ ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে আসেননি।

ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানার হঠাৎ পরিবর্তন এবং স্টাফ পরিবর্তনের মধ্যেও, টুর্নামেন্ট সুষ্ঠু ও সময়মতো আয়োজন করতে সচেষ্ট রয়েছে বিসিবি।