পিএসএল ফাইনালে পেশোয়ার জালমির হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন নাহিদ রানা।পিএসএল ফাইনালে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিং।

পাকিস্তানের লাহোরে পিএসএলের মেগা ফাইনালে বল হাতে গতির ঝড় তুলেছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। প্রথম ওভারে কিছুটা খরুচে বোলিং করলেও পরে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। নাহিদ ও অ্যারন হার্ডির আগুনে বোলিংয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয়েছে মার্নাস ল্যাবুশেনের হায়দরাবাদ কিংসমেন।

নাহিদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন

ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পেশোয়ার জালমি অধিনায়ক বাবর আজম। নাহিদ রানা নিজের প্রথম ওভারে ১৩ রান দিয়ে বসেন। তবে বড় ম্যাচের স্নায়ুচাপ জয় করে পরের তিন ওভারে তিনি ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। গতির সাথে বাউন্স আর নিখুঁত ইয়র্কারের মিশেলে পরের ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করে শিকার করেন ২ উইকেট। এর মধ্যে একটি মেডেন ওভারও ছিল। তাঁর শিকার হওয়া দুই ব্যাটার হলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও হুনাইন শাহ।

৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে নাহিদ প্রমাণ করেছেন কেন বিসিবি তাঁকে বিশেষ অনুমতি দিয়ে ফাইনালে পাঠিয়েছে, আর কেনইবার পেশোয়ার জালমি তাঁকে চেয়েছে।

আরও পড়ুন:
নাহিদ রানার লাজুক হাসির আড়ালে আগ্নেয়গিরির লাভা!

হায়দরাবাদের মিডল অর্ডার বিপর্যয়

আগে ব্যাটিং করতে নামা হায়দরাবাদ কিংসমেন ১৮ ওভারে ১২৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়। ওপেনার মাজ সাদাকাত (১১) ও অধিনায়ক ল্যাবুশেন (২০) ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তবে তিন নম্বরে নামা সাইয়ুম আইয়ুব এক প্রান্ত আগলে রেখে ৪২ বলে ৫৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন। কিন্তু অন্য প্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে সেই লড়াই বৃথা যায়। অ্যারন হার্ডি ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে হায়দরাবাদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

পেশোয়ারের বোলিং দাপট ও নাহিদের ফর্ম

নাহিদ রানা এবারের পিএসএলে পেশোয়ারের হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। ফাইনালের আগে ৫ ম্যাচে ৫.৪২ ইকোনমিতে ৭ উইকেট নেওয়া এই পেসারকে নিউজিল্যান্ড সিরিজের মাঝপথে এনওসি না দিলেও ফাইনালের গুরুত্ব বুঝে ছাড়পত্র দেয় বিসিবি। আজ বাবর আজমদের হয়ে শিরোপা জয়ের মিশনে সেই আস্থার প্রতিদান দিলেন ২৩ বছর বয়সী এই ফাস্ট বোলার।

আরও পড়ুন:
পিএসএল অভিষেকেই নাহিদ রানার বিব্রতকর রেকর্ড