রিয়াল মাদ্রিদের তারকা এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস ও বেলিংহাম

রিয়াল মাদ্রিদে গোলের খরা যে কতটা গুরুতর, তা এখন স্পষ্ট। লা লিগায় ১৮ ম্যাচে মাত্র ৩৬টি গোল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার তুলনায় ১৫ গোল কম!

গোল করার জন্য দলের শট নেওয়ার সংখ্যা ঠিক আছে—১২৮টি শট। কিন্তু জালে বল জড়ানোতে কার্যকারিতা মাত্র ২৮.১২ শতাংশ। অন্যদিকে বার্সেলোনা ১৩৬ শট থেকে ৩৫.৫ শতাংশ সফল।

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ৬৬টি দলও রিয়ালের গোল করার হারের চেয়ে এগিয়ে। টটেনহাম এই তালিকার শীর্ষে, ৪৬.৫ শতাংশ গোল হার নিয়ে।

সমস্যার মূল—দলের গোলের অভাব। এই পরিস্থিতিতে কিলিয়ান এমবাপ্পের গুরুত্ব বেড়ে গেছে। লা লিগায় ৩৬ গোলের মধ্যে ১৮টি তার পা থেকে এসেছে। চ্যাম্পিয়নস লিগেও ১৩টি গোলের ৯টি তার।

অন্য ফরোয়ার্ডরা তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে। ভিনিসিয়ুসের কার্যকারিতা ১৮ শতাংশ, রদ্রিগোর ১৬ শতাংশ। বেলিংহাম, ব্রাহিম ডিয়াজ, কামাভিঙ্গা ও রদ্রিগো মিলিয়ে বাকি ৪টি গোল করেছে।

এমবাপ্পে নিজেও জানেন, ব্যক্তিগত গোলের মাইলফলক দলের শিরোপা ছাড়া কাজে আসে না। তাই তিনি বারবার বলছেন, দলকে ফলাফল দিতে হবে।

আরও পড়ুন:
সাকিবের সঙ্গে তাসকিনের কী কথা

শীর্ষ দশ ইউরোপীয় লিগের তুলনায় হালান্ড ও হ্যারি কেইনের গোল সংখ্যা এমবাপ্পের চেয়ে বেশি—১৯টি। কিন্তু শট অন টার্গেটের দিক থেকে তারা এমবাপ্পের পিছনে। এমবাপ্পে ৩৯টি শটের বিপরীতে হালান্ডের ৩৭ এবং কেইনের ৩৫।

রিয়ালের গোলের ঘাটতি শুধুই লিগ বা ইউরোপে নয়। দলের আক্রমণ কার্যকারিতা পুরো মৌসুমে এমবাপ্পের ওপর নির্ভরশীল হয়ে গেছে।