ফিক্সিংয়ের কালো ছায়া পেছনে ফেলে এগোতে চান বিজয়।এবার মোহামেডানের হয়ে খেলতে দেখা যাবে বিজয়কে। ফাইল ছবি

ফিক্সিং সন্দেহের কালো মেঘ কাটিয়ে অবশেষে ২২ গজে ফিরছেন এনামুল হক বিজয়। সবশেষ বিপিএলসহ ঘরোয়া ক্রিকেটের বেশ কিছু আসরে ব্রাত্য থাকার পর আসন্ন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) দিয়ে নতুন শুরুর অপেক্ষায় এই উইকেটকিপার ব্যাটার। শনিবার ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে দলবদল শেষ করেছেন তিনি। এরপর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের মানসিক লড়াই এবং বিসিবির ভূমিকার প্রশংসা করেন বিজয়।

বিসিবির ভূমিকা ও ‘সম্মান’ প্রাপ্তি

বিপিএলে ফিক্সিং ইস্যুতে নাম জড়ানোর পর মাঠের বাইরে থাকা বিজয়ের কাছে সবচেয়ে বড় চাওয়া ছিল স্বচ্ছতা। বিসিবির সাথে নিজের আলোচনার বিষয়ে আজ তিনি মুখ খুলেছেন।

বিজয় বলেন, “আমার ব্যক্তিগতভাবে সভাপতির সাথে কথা হয়েছে এবং বিসিবির সাথে কথা হয়েছে। তারা আমাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে এবং সম্মানের সাথে কথা বলেছে। আমি আশা করি এই ইতিবাচক সম্পর্কটা চলমান থাকবে।”

বিজয় আরও চান, বিসিবি যেন বিষয়টি সুন্দরভাবে সবার সামনে পরিষ্কার করে। কারণ, বিপিএলের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একেকজন একেকভাবে তাঁর পরিস্থিতি বর্ণনা করেছে, যা তাঁর ক্যারিয়ারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আরও পড়ুন: বিপিএল ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত বিজয়-সৈকতসহ অন্যরা যা বললেন

ইতিবাচকতা চান বিজয়

মাঠের বাইরের আলোচনা নিয়ে বিজয় কিছুটা বিরক্ত। চারপাশের নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “যেকোনো সামাজিক মাধ্যমে তাকালেই শুধু নেতিবাচক কথা দেখি। আমি চাই সবাই ইতিবাচকভাবে কথা বলুক। নেতিবাচক বিষয়গুলো আমরা পেছনে ফেলে দিই।”

নিজে কতটুকু প্রস্তুত, সে প্রসঙ্গে বিজয় জানান, তিনি এখনো শতভাগ তৈরি নন। তবে হাতে থাকা ১৫ দিন সময় ও মানসিক প্রস্তুতিকে পুঁজি করে প্রিমিয়ার লিগের আগেই পুরোপুরি ফিট হয়ে মাঠে নামবেন বলে আশাবাদী তিনি।

আরও পড়ুন: কোনো আশা রইলো না বিজয়-সৈকতের!

আবাহনী ছেড়ে এবার মোহামেডানে

দীর্ঘদিন আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংকের হয়ে খেলা বিজয় এবার গায়ে তুলছেন সাদা-কালো জার্সি। মোহামেডানের মতো বড় দলে খেলা নিয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি।

বিজয় বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আবাহনী-মোহামেডান দ্বৈরথ দেখে বড় হয়েছি। এবার এরকম একটা বড় দলে খেলার সুযোগ এসেছে। বিজয়ীদের দলে খেলতে পারলে মানসিকতাও বিজয়ীদের মতোই থাকে।”