বাংলাদেশ টাইগার্সের অনুশীলন।বাংলাদেশ টাইগার্সের অনুশীলন। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় ধরনের সংস্কারের পথে হাঁটছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান ক্রিকেট বোর্ড। খরচ কমানো এবং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ টাইগার্স’ প্রজেক্টটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। এখন থেকে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা ‘বাংলাদেশ টাইগার্স’ কিংবা ‘এ’ দলের জন্য পৃথক ক্যাম্প আর হবে না। এর পরিবর্তে বিসিবির সব মনোযোগ এবং বরাদ্দ থাকবে কেবল হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের ওপর।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

বিসিবি মনে করছে, বছরে তিনটি আলাদা প্রোগ্রাম (টাইগার্স, এ দল ও এইচপি) পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ। খরচের লাগাম টানতে এবং ক্রিকেটারদের একই ছাতার নিচে উন্নত সুবিধা দিতেই এই একীভূতকরণ।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হওয়ার পর বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এইচপি বিভাগের সঙ্গে এ বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনায় বসবেন। গুঞ্জন রয়েছে, এই নতুন কাঠামোয় হেড কোচের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন দেশের অন্যতম আলোচিত কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন।

কী থাকছে নতুন এই মডেলে?

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, এইচপি ইউনিটে মোট ২৪-২৫ জন ক্রিকেটার থাকবেন। যেখানে বয়সভিত্তিক দল থেকে উঠে আসা প্রতিভাদের পাশাপাশি জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটাররাও সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন: আবারও কোচ হয়ে বিসিবিতে ফিরছেন সালাহ উদ্দীন!

এইচপি ইনচার্জ জামাল বাবু জানান, “আলাদা গ্রুপে খরচ না করে এক জায়গায় সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়া হবে। এখান থেকেই ক্রিকেটাররা ‘এ’ দল নাম নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সিরিজ ও সফরে অংশ নেবে।”

এতে করে জাতীয় দলে ফেরার অপেক্ষায় থাকা ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলনের খরচ যেমন বাঁচবে, তেমনি তারা মানসম্মত ফিটনেস ট্রেনিংয়ের সুযোগও পাবেন।

সামনে ব্যস্ত সূচি

নতুন আঙ্গিকে সাজানো এই এইচপি দলের জন্য এরই মধ্যে ব্যস্ত সূচি চূড়ান্ত করেছে বোর্ড। মূলত ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ।

জুন ২০২৬: জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বাংলাদেশ সফর।

জুলাই ২০২৬: দক্ষিণ আফ্রিকা সফর।

১৫ আগস্ট – ১৫ সেপ্টেম্বর: অস্ট্রেলিয়া সফর (টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও দুটি চার দিনের ম্যাচ)।

এছাড়াও ইমার্জিং এশিয়া কাপেও এই এইচপি ইউনিট থেকেই দল পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: বিসিবিতে শুরুতেই তামিম ইকবালের ‘বোল্ড স্টেপ’