ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা। এ তো শুধু কেবলই ফুটবল ম্যাচের লড়াই নয়—বরঞ্চ ঐতিহাসিক দ্বৈরথ, আবেগ-অনুভূতির বিস্ফোরণ আর গর্বের লড়াই।
পেলেকে দিয়ে শুরু, এরপর ম্যারাডোনা, রোনালদো, রোনালদিনহো, মেসি, নেইমার—দুই দেশের কিংবদন্তিরা যুগে যুগে নিজেদের মধ্যকার ফুটবলের দ্বৈরথের মঞ্চে ঝড় তুলেছেন, আলো ছড়িয়েছেন। ঐতিহ্যের সেই চিরচেনা দ্বৈরথ ফিরছে আবারও, তবে ভিন্ন রূপে।
কোপা সুদামেরিকানার ফাইনাল হবে আগামী ২২ নভেম্বর। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় হবে ম্যাচটি। যেটি দেখাযাবে বিইন স্পোর্টস চ্যানেলে।
এই ফাইনালে লড়ছে আর্জেন্টিনার ক্লাব লানুস ও ব্রাজিলের ক্লাব আতলেতিকো মিনেইরো। এ দুই দলে ভর করে ফিরছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার দ্বৈরথের আবহ।
লানুস হলো আর্জেন্টিনায় বুয়েনোস আইরেসের দক্ষিণাঞ্চলের একটি ক্লাব, যেখানে জন্ম হয়েছিল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার। ১৯৯৬ সালে কোপা কনমেবল আর ২০১৩ সালে কোপা সুদামেরিকানার শিরোপা জিতেছিল এই ক্লাব।
অন্যদিকে বেলো হরিজোন্তের গর্ব আতলেতিকো মিনেইরো ব্রাজিলের অন্যতম সফল ক্লাব। ৬০টিরও বেশি শিরোপা আছে তাদের শোকেসে। ক্লাবটি ২০১৩ সালে কোপা লিবার্তাদোরেস জিতে মহাদেশীয় পর্যায়ে শীর্ষে ওঠেছিল। দলটির ম্যানেজার হিসেবে আছেন অভিজ্ঞ কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। আক্রমণভাগের নেতৃত্বে আছেন পরিচিত মুখ, ফরোয়ার্ড হাল্ক। তার পাশে রয়েছেন রনি, বার্নার্ড, স্কার্পা, গোমেস ও ডুডু।
অর্থ, যশ আর তারকাশক্তিতে ব্রাজিল এগিয়ে। কিন্তু আবেগ ও মনোবলে পিছিয়ে নেই আর্জেন্টিনা।
লানুস ও মিনেইরোর এই লড়াই তাই কেবল এক ফাইনালই নয়—এটি আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল, গর্ব বনাম গর্ব, ট্যাঙ্গো বনাম সাম্বার লড়াই। যে লড়াইয়ের জন্য উভয় দেশের দর্শকরা এখন মুখিয়ে আছেন।

