৪১ বছর বয়সে এসে অনেক ফুটবলারই বুট জোড়া তুলে রাখার কথা ভাবেন, কিন্তু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সেই দলে নেই। তাঁর জেতার ক্ষুধা এখনো আগের মতোই অটুট। ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বিশেষ অধ্যায়ে নাম লেখাতে রোনালদো এখন ৩টি উচ্চাভিলাষী চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।
১. অপূর্ণ স্বপ্ন: বিশ্বকাপ জয়
রোনালদোর ট্রফি ক্যাবিনেটে সব থাকলেও একটি বিশ্বকাপ ট্রফির অভাব রয়েছে, যা তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির ঝুলিতে আছে। যদিও পর্তুগাল এখন পর্যন্ত কখনোই বিশ্বকাপ জেতেনি এবং ২০২৬ বিশ্বকাপেও তারা ফেভারিট নয়।
কিন্তু ২০১৬ সালের ইউরো জয় প্রমাণ করে যে রোনালদোর পর্তুগাল যেকোনো সময় চমকে দিতে পারে। নিজের শেষ বিশ্বকাপে এই অভাবটি ঘুচিয়ে নিতে মরিয়া সিআর সেভেন।
২. ১০০০ গোলের মাইলফলক
বিশ্বকাপের পর রোনালদোর সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো ক্যারিয়ারের ১০০০ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করা। আল নাসরের এই স্ট্রাইকার বর্তমানে ৯৭০টি গোল করেছেন এবং ফুটবল ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এক হাজার গোলের রেকর্ডে নাম লেখাতে তিনি বদ্ধপরিকর।
আরও পড়ুন: ১০০০ গোল নাকি সম্মান? রোনালদোর বিদায়ঘন্টা বাজালেন লিম্পার!
অন্যদিকে লিওনেল মেসি ৯০৫ গোল নিয়ে খুব একটা চাপে নেই, যা সম্প্রতি ওতামেন্ডিকে পেনাল্টি ‘উপহার’ দেওয়ার মাধ্যমেই ফুটে উঠেছে। মেসি বয়সে ছোট হলেও গোল ক্ষুধার দিক থেকে রোনালদোই এগিয়ে আছেন।
৩. ছেলের সাথে একই দলে খেলা
রোনালদোর সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ হলো নিজের বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়রের সাথে একই দলে খেলা। বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস ও তাঁর ছেলে ব্রনির মতো ফুটবলেও বাবা-ছেলের একই সাথে খেলার নজির গড়তে চায় আল নাসর।
আরও পড়ুন: ছেলের সঙ্গে আল নাসরে একইসঙ্গে খেলবেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো!
আগামী জুনে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রের বয়স ১৬ পূর্ণ হবে। আল নাসর যদি তাকে মূল দলে প্রোমোশন দেয়, তবে রোনালদোর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সত্যি হবে এবং ফুটবলের ইতিহাসে এটি এক বিরল ঘটনা হিসেবে গণ্য হবে।

