একেবারে মরিয়া হয়ে ওটেছেন নেইমার জুনিয়র। আরেকটি, এবং সম্ভবত নিজের ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ খেলতে কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করছেন না তিনি। নতুন করে ইনজুরিতে পড়ার পর যেকোনো উপায়ে দ্রুত মাঠে ফিরতে চান তিনি। সেজন্য চিকিৎসকদের নির্দেশনাও মানছেন না ব্রাজিল তারকা।
নেইমার নতুন করে চোট পেয়েছেন। বাঁ পায়ের মেনিস্কাস (হাঁটুর সংযোগস্থলে) ইনজুরিতে পড়েছেন এই ফরোয়ার্ড। ব্যথা ও অস্বস্তিতে ভুগতে হচ্ছে তাকে।
এই অবস্থায় চিকিৎসকরা তাকে মাঠে না নামতে বা অনুশীলন থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু তা মানছেন না নেইমার। নিজেকে ফিট করতে উঠেপড়ে লেগেছেন তিনি।
কিন্তু এতে আছে ঝুঁকিও। এই চোট বেড়ে গিয়ে বড় বিপদে পড়তে পারেন নেইমার। তখন হয়তো ক্যারিয়ার নিয়েই টানটানি শুরু হতে পারে। তারপরও তিনি মরিয়া হয়ে মাঠে ফিরতে চান।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, চিকিৎসক, সান্তোস ক্লাব কর্তৃপক্ষ এবং নিজের ব্যক্তিগত স্টাফ সবার কাছ থেকেই খেলা ও অনুশীলন বন্ধ রাখার পরামর্শ পেয়েছেন নেইমার। হাঁটুর সংযোগস্থলের চোট যাতে দ্রুততম সময়ে সেরে যায়, সেজন্য সার্জারি করারও পরামর্শ পেয়েছেন তিনি।
কিন্তু সার্জারি করাতে গেলে এই বছর আর মাঠেই নামা হবে না নেইমারের। কিন্তু নেইমার খেলতে চান যেকোনো মূল্যে।
বর্তমানে ব্রাজিলিয়ান লিগ সেরি এ–তে রেলিগেশনের ঝুঁকিতে রয়েছে সান্তোস। তাদের সামনে তিন ম্যাচ বাকি। এসব ম্যাচে খেলতে চান নেইমার।
গ্লোবো জানিয়েছে, শুক্রবার স্পোর্ট রেসিফে’র বিপক্ষে ম্যাচ আছে সান্তোসের। এই ম্যাচ মিস করতে চান না নেইমার। খেলতে ও পারফর্ম করতে মুখিয়ে আছেন তিনি। সেজন্যই আজ বৃহস্পতিবার সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন তিনি।
নেইমার খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন দুটি কারণে। এক, সামনের তিন ম্যাচ জিততে না পারলে সান্তোস দ্বিতীয় স্তরে নেমে যাবে। দুই, ম্যাচ খেলে পারফর্ম না করলে আনচেলত্তির বিশ্বকাপ দলে জায়গা হবে না।
আনচেলত্তি জানিয়ে দিয়েছেন, মার্চের মধ্যে পুরো ফিট না থাকলে নেইমারের জায়গা হবে না ব্রাজিল বিশ্বকাপ দলে। ফলে তার সামনে আর বেশি সময় বাকি নেই।
নেইমার তাই এখন সব ধরনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও ফিট হয়ে ওঠতে চাইছেন।

