BCB Ad-hoc Committee President Tamim Iqbal talking to journalists during a press conference.তামিম ইকবাল, বিসিবি সভাপতি। ছবি: ফিরোজ আহমেদ

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মাসের ৭ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন। দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই বিগ মহোৎসবে পরিচালক পদে লড়বেন বর্তমান অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। আজ বৃহস্পতিবার মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই হাইভোল্টেজ নির্বাচন নিয়ে নিজের ভাবনা ও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দেশের সাবেক এই অধিনায়ক।

পরিচালক পদে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে তামিম বলেন, “ভোটারদের কাছে গিয়ে বলতে হবে আমি কী করতে চাই বা চাই না। আমার লক্ষ্যটা তাদের সাথে শেয়ার করতে হবে।”

ভোটিং পলিটিক্স ও নিজের ‘অ্যাডভান্টেজ’

বিসিবির বর্তমান সভাপতি হিসেবে নিজের একটি বাড়তি সুবিধার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন তামিম। তবে ব্যালট বাক্সের লড়াইয়ে যে সেটি কোনো কাজে আসবে না—তাও বেশ ভালো করেই জানেন তিনি।

আরও পড়ুন:
বিসিবি নির্বাচনে ১৮৪ ভোটারের তালিকায় যারা আছেন, যারা নেই

তামিম বলছিলেন, “আমার একটা সুবিধা থাকবে, এটা অস্বীকার করব না। সুবিধা কাজে আসবে না যখন এটা ভোটিংয়ে আসে। আমাকে ওইভাবে উনাদের (ভোটার) সাথে মিশতে হবে, উনাদের বুঝাতে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে আমি কী ভাবি এবং আমার পরিকল্পনা কী।”

নিজেকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ‘নেই’

অ্যাড-হক কমিটির প্রধান হয়েও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করছেন না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তামিম। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে পুরো বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

নির্বাচনী ইস্যুতে নিজের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে বিসিবি প্রধান বলেন, “আমি নিজেকে পুরোপুরি এই জায়গা (নির্বাচনী কাজ) থেকে সরিয়ে নিয়েছি। জিনিসটা পুরোপুরি ইলেকশন কমিশনের ওপর। পার্থক্য হলো আমি কোনো চিঠিও সাইন করছি না, কাউন্সিলরশিপ রিটার্নও করছি না।”

আগামী মাসের এই বহুল আলোচিত নির্বাচন যেন উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়, সেই আশাবাদও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

তামিমের প্রত্যাশা, “আশা করি একটা ওপেন ইলেকশন হবে। সবাই অংশগ্রহণ করবে, সবাই সবার মতো করে ভোট চাইবে।”

আরও পড়ুন:
বিসিবিতে আমি আনন্দ করতে আসিনি: তামিম ইকবালের হুংকার