সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের আনাচ-কানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালু করছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কার্যক্রমের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আগামী ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

১ লাখ ৬০ হাজার নিবন্ধিত কিশোর-কিশোরী

১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ৮টি ডিসিপ্লিন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো—ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট।

সারা দেশ থেকে ইতিমধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন প্রতিযোগী এই ইভেন্টে নিবন্ধিত হয়েছে, যা দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে এক বিশাল সাড়া।

বিকেএসপিতে পড়াশোনা ও খেলার দায়িত্ব সরকারের

চূড়ান্ত পর্ব শেষে বাছাইকৃত সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, মেধাবী খেলোয়াড়দের সরকারিভাবে ক্রীড়া বৃত্তি প্রদান করা হবে। তাদের ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিকেএসপি-তে (BKSP) ভর্তি করে পড়াশোনা এবং খেলাধুলার যাবতীয় ব্যয়ভার সরকার বহন করবে।

তিনি আরও যোগ করেন, চট্টগ্রাম বা অন্যান্য বিভাগীয় প্রতিভাদের নিজ এলাকাতেই সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে যাতে তাদের পরিবার থেকে দূরে থাকতে না হয়।

স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মে জিরো টলারেন্স

প্রতিভা অন্বেষণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, “প্রতিমন্ত্রী হিসেবে না, একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে আমি নিজে পর্যবেক্ষণ করব বাছাইকৃতরা সত্যিকার অর্থেই প্রতিভাবান কি না। এখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।”

এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষায় প্রতিটি ভেন্যুতে সার্বক্ষণিক মেডিকেল টিম মোতায়েন থাকবে।