হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার অধ্যায় শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ‘হটসিট’ দখল করতে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমেছেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ফুটবল কোচরা। বাফুফের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক আবেদন জমা পড়েছে। এই বিপুল সংখ্যক আবেদন থেকে যোগ্যদের খুঁজে বের করতে তিন সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে ফেডারেশন।
সিভি পর্যালোচনায় ৩ সদস্যের কমিটি
বাফুফের ট্যাকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম হিলটন আজ জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি জানান, কমিটিতে রয়েছেন বাফুফের নির্বাহী কমিটির দুই সদস্য ছাইদ হাসান কানন ও ইকবাল হোসেন এবং খোদ হিলটন। এই বিশেষ কমিটিকে সহায়তা করবেন ট্যাকনিক্যাল ডাইরেক্টর সাইফুল বারী টিটু।
হিলটন বলেন, “আমরা এই সপ্তাহের মধ্যে সব সিভি পর্যালোচনা করে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করব। এরপর সেই প্রতিবেদন ন্যাশনাল টিমস কমিটির কাছে জমা দেওয়া হবে।”
আরও পড়ুন: ৪ ঘন্টার বৈঠক: বাফুফের পুরনো প্রতিশ্রতি, কোচ আর সাফ কোটা ঝুলন্ত!
নজরে কেবল প্রধান কোচ নয়
শুধুমাত্র জাতীয় দলের প্রধান কোচ নয়, বাফুফে একই সঙ্গে গোলরক্ষক কোচ এবং যুব দলের কোচও নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। সেখানেও আবেদনের হিড়িক পড়েছে।
গোলরক্ষক কোচ: আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৪০টি।
যুব দলের কোচ: এখানেও প্রায় ৪০ জন কোচ আগ্রহ দেখিয়েছেন।
কেন এতো বেশি আবেদন?
বাফুফের সূত্র মতে, হামজা চৌধুরী ও শামিত সোমদের মতো আন্তর্জাতিক ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তির ফলে বাংলাদেশ ফুটবলের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ফলে এখানে কোচ হতে সবারই আগ্রহ বেড়েছে।
কোচ হতে আগ্রহীদের তালিকায় পিটার সেগ্রেট (ক্রোয়েশিয়ান আইনস্টাইন), ইগর স্টিমাচ (ভারতের সাবেক কোচ) এবং ভ্যালেরি তিতার মতো হাই-প্রোফাইলরাও এখন লাল-সবুজ ডাগআউটে দাঁড়াতে উন্মুখ হয়ে আছেন।
আরও পড়ুন: হামজা-সুলিভানদের উত্তরসূরি খুঁজতে বাফুফের ‘গ্লোবাল’ মিশন!
লক্ষ্য ৫ জুনের সান মারিনো ম্যাচ
নতুন কোচের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হবে ইন্টারভিউ এবং বেতন-ভাতা সংক্রান্ত সমঝোতার পর। তবে হাতে সময় খুব বেশি নেই। আগামী ৫ জুন সান মারিনোতে হামজাদের প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তাই সান মারিনো সফরের অন্তত দুই সপ্তাহ আগেই নতুন কোচের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে চায় বাফুফে।

